যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

শ্যামলীতে চিকিৎসক কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তারের আশ্বাস যুবদলের নেতাদের

শ্যামলীতে চিকিৎসক কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তারের আশ্বাস যুবদলের নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার শ্যামলীতে আলোচিত বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনকারী ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ ওঠার পর গতকাল শুক্রবার রাতে সেখানে গিয়ে কথা বলেছেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার রাত দেড়টায় সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন।

এর আগে কামরুল ইসলামের হাসপাতালে যুবদল পরিচয়ে স্থানীয় মঈন নামে এক ব্যক্তি পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছে বলে সন্ধ্যায় একটি সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপর রাতেই যুবদল নেতারা শ্যামলীর ওই হাসপাতালে আসেন। তারা অধ্যাপক কামরুল ইসলামের কাছে ঘটনা জানতে চান, সেইসঙ্গে তাকে আশ্বস্ত করেন।

ওই ব্যক্তি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না, জানতে চান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুন্না।

এসময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘সে বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’

পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দেই না।’

তিনি বলেন, ‘আগের আমলে যেরকম এ ধরনের ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা কিন্তু সেটাও করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।’

পরে যুবদলের নেতা নয়ন র‍্যাবের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করে মঈন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অনুরোধ করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com